Be A Somebody that Counts : Krïshñä Sïñhä 💕

Knowing is not Enough, we must Apply it. As an educator, Social Worker, A Philanthropist, A Blogger it’s my duty to pass on my teachings Experience so that atleast 2/3 Circles must get benefited with the Influence. That’s why I’m here day after day, week after week, providing all of you with access to my Knowledge and share my experience thru Social Network. Knowing alone is NOT Enough, We Should Expand Wide and Far.
Be A Somebody that Counts.
http://www.krishnasinhablog.wordpress.com
🌹 🌹 🌹
Have a Great Day Ahead 😊
Love You Fellas. 🌅

Krïshñä Sïñhä 💕

MotherLanguageDay : Licypriya Kangujam

Lucy’s Words at the Young Age – Many people told me that Go to School & learn English first before using Facebook. But I don’t speak English & Hindi. My English is just for communication only. I’m proud of my mother tongue – Meiteilon. India is diverse bcoz of people like us. #MotherLanguageDay Licy Priya She’s a Very Young Global Influencer, Orator, Speaker, Leading Young Climate Environmental Activist and Raise Her Voice towards Environmental and Climate Issue at the Age of Six. Now She’s Nine Year’s Old. Such an Inspiration to All the Youngsters of this Earth a leading face of the Globe.

Licypriya Kangujam
Licypriya Kangujam
Speaker Licy Priya

আন্তর্জাতিক ইমার ঠার দিবস ২১ শে ফেব্রুয়ারি।

ইমার ঠার পুঞ্চিপালক ইমার জিপুত দশর মালেমে ইঙাল ঙালকা।
হাব্বিরে শুভেচ্ছা জানাউরি হারৌপার আন্তর্জাতিক ইমার ঠার দিবস।
জয় ইমা বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী।

21 February was declared to be the International Mother Language Day by UNESCO in 1999. It has been observed throughout the world since 21 February 2000. The declaration came up in tribute to the Language Movements On 21 February 1952, then Another Language Movements took part by Bishnupriya Manipuri Students Unions in 16th March 1996 Rail Blockades of  501 Hrs in Kalkighat. Where We Lost Our Beloved Mother Language Lover Kumari Shahid Sudeshna Sacrifice her life for Sake of Mother Language in Kalkighat Police Opened fire on Rallies. We never forget those Language Martyrs. Tribute From Core of my Heart.

International Mother Language Day

আন্তর্জাতিক ইমার ঠার দিবস।

“ইমার ঠার পুঞ্চি পালক (মাতৃভাষা অমর হোক)”
আজ বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা শহীদ সুদেষ্ণা দিবস

প্রারম্ভিকঃ
একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষার জন্য রক্ত দেবার এ ইতিহাস পরম গর্বের। ১৯৫৩ সাল থেকে এ দিনে আমরা ভাষাশহীদদের স্মরণ করে আসছি; তার পাশাপাশি ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির পর ২০১০ সাল থেকে পুরো বিশ্ববাসীর কাছেই একুশে ফেব্রুয়ারি আজ স্ব-স্ব ভাষার গুরুত্ব মূল্যায়ণে এক অবিস্মরণীয় দিন। আমরা জানি, বাংলা ভাষার জন্য এরপরও প্রাণত্যাগ করতে হয়েছে ভারতের আসাম রাজ্যে বরাক উপত্যকায় যথাক্রমে ১৯৬১ সালে ১৯ মে; ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট এবং ১৯৮৬ সালের ২১ জুলাই তারিখে। এখন প্রশ্ন হলো, শুধু বাংলা ভাষার জন্যই কি শহীদদের আত্মত্যাগ? এমন অন্য কোনো ভাষা কি নেই, যার জন্য কাউকে বিসর্জন দিতে হয়নি কোনো প্রাণ?
হ্যাঁ। আমাদের কাছাকাছি এরকম একটি ভাষা আছে, তার নাম ‘বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা’, যার জন্য ঝরাতে হয়েছে কয়েকটি প্রাণ। তাদের একজন সুদেষ্ণা সিংহ। আসুন, একটা গল্প দিয়ে শুরু করি।

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা আন্দোলনঃ
ভারতের পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব এবং বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে বসবাসকারী এক প্রান্তিক জাতির নাম বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী। ব্রিটিশ শাসনামলের প্রাক্কালে ইঙ্গ-বর্মী যুদ্ধের পর মণিপুর থেকে এরা উত্তর-পূর্ব ভারত, বার্মা ও বাংলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। সেই মণিপুরীদেরই একটি অংশ এই বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী। এছাড়া রয়েছে মৈতেয় মণিপুরী, পাঙন মণিপুরী।
বর্তমানে ভারতের আসাম রাজ্যভুক্ত হাইলাকান্দি, কাছাড়, পাথারকান্দি, করিমগঞ্জ, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মণিপুর রাজ্যে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সম্প্রদায়ের অধিকাংশের বসবাস। বাংলাদেশে মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলাতেও এ জাতির বসতি চোখে পড়ে।
ভারতের মণিপুরসহ আসামের বরাক ও ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা, এমনকি বাংলাদেশেও ‘কে মণিপুরী আর কে নয়’- তা নিয়ে একটি আন্তঃজাতিগত দ্বন্দ্ব বিদ্যমান ছিলো। মণিপুরীদের আদিভূমি মণিপুরের সিংহভাগ আধিবাসী মৈতেয়। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর সদস্য হবার কারণে এবং বাংলা-অহমিয়ার সাথে সাদৃশ্যের জন্য বিষ্ণুপ্রিয়াদের ভাষাকে ‘মণিপুরী ভাষা’ হিসেবে অনেক মৈতেয় স্বীকৃতি দিতে নারাজ।
অন্যদিকে ভারতের জাতীয় নথিপত্রসমূহে দুই জনগোষ্ঠীকেই ‘মণিপুরী’ হিসেবে দেখানো হলেও ‘মণিপুরী’ ভাষা হিসেবে বারবার প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বিষ্ণুপ্রিয়া। ২০০৭ সালের ৮ মার্চ ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের একটি আদেশে বিষ্ণুপ্রিয়া ‘মণিপুরী’ ভাষা হিসেবে তার মর্যাদা ফিরে পায়। যা-ই হোক, এ আলোচনায় বিরতি দিয়ে আবার ফিরে যাওয়া যাক ইতিহাসে।
১৯৯২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রবিশংকর সিংহ, কুলচন্দ্র সিংহ প্রমুখের নেতৃত্বে ‘বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী গণসংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় । ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ এ সময়টুকুর মাঝে আসাম ও ত্রিপুরায় অসংখ্যবার রাজপথ ও রেলপথ অবরোধ, গনঅনশন, বিক্ষোভ কর্মসূচি এগুলো পালিত হতে থাকে। অনশনগুলো ২৪ ঘণ্টা থেকে শুরু করে ৪৮ ঘণ্টা এমনকি ১০১ ঘণ্টাব্যাপী পালিত হয়েছিল।
শেষ অবধি জনতার সংগ্রামে টনক নড়লো সরকারের। ১৯৯৫ সালের ২৬ মে প্রাথমিক স্তরে বিদ্যালয়গুলোতে বিষ্ণুপুরী মণিপুরী ভাষা চালু করে ত্রিপুরা সরকার। আসামে এ দাবি তখনো গৃহীত হয়নি, তাই মার্চ মাসে গণসংগ
১৯৯৬ সালের ১৬ মার্চ। দিনটি ছিলো শনিবার। এদিন ‘নিখিল বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী স্টুডেন্ট্স ইউনিয়ন’ সবচেয়ে দীর্ঘ ৫০১ ঘণ্টার রেল ও ট্রেন অবরোধ কর্মসূচী ঘোষণা করেছিলো। এ সময় রাজপথে বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা আসামের কলকলি ঘাটের গুংঘাঝারি রেলস্টেশনে করিমগঞ্জ (আসাম, বাংলাদেশের সীমান্তে) থেকে আসতে থাকা একটি ডাউন ট্রেন অবরোধ করে। আন্দোলন চলাকালে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই পুলিশ অবরোধকারীদের উপর লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে, ঠিক যেমনটা ঘটেছিল বীর বাঙালির রক্তঝরা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের মিছিলে।
মুষ্টিবদ্ধ আন্দোলনকারীদের পুরোপুরি নিস্তব্ধ করে দেওয়ার অভিপ্রায়ে আসাম সরকার ভাষার প্রশ্নে রক্ত ঝরাতে বাধ্য করে। সেদিন পুলিশের গুলিতে ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় আহত হন শতাধিক বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী। ঘটনাস্থলেই সকাল ১২:১০ ঘটিকায় মারা যান বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী বিপ্লবী নারী সুদেষ্ণা সিংহ। পরে হাসপাতালে নিহত হন আরেকজন বিপ্লবী তরুণ সলিল সিংহ।
১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর ভারতের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল ভাষাভাষীর প্রাথমিক স্তরে মাতৃভাষায় শিক্ষাগ্রহণের মৌলিক অধিকার দেওয়া হয়। কিন্তু আসামে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের এই অধিকার দীর্ঘদিন ধরে না থাকায় জন্ম নিয়েছিল সম্ভবত সবচেয়ে দীর্ঘ এক ভাষা আন্দোলনের। আসামের বরাক উপত্যকায় বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত ১৯৫৫ সালে। সে বছর ‘নিখিল বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী মহাসভা’ মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের সাত দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে, পরে যা ‘সত্যাগ্রহে’ রূপ নেয়। দশকের পর দশক ধরে এ আন্দোলন ব্যাপক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে চলতে থাকে, অথচ নিজ ভাষার স্বীকৃতি মেলেনি বিষ্ণুপ্রিয়াদের।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আসাম ও ত্রিপুরাজুড়ে গণআন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে ওঠে। এসবের জেরে পরবর্তীতে সকল দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় আসাম সরকার। ২০০১ সালের পয়লা ফেব্রুয়ারি আসামে বরাক উপত্যকার প্রায় সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (১৫২টি) বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষায় পাঠপঠনের ব্যবস্থা চালু করা হয়। এর ছয় বছর সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক স্বতন্ত্র মণিপুরী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায় বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা।

সুদেষ্ণা’র শেষ বিদায়ের দিনঃ
১৬ মার্চ ১৯৯৬ সাল দিনটি ছিল শনিবার, বাংলা ১৪০২ সনের ২রা চৈত্র। লোঙাই ঘাটের দক্ষিণ পাড়ে কচুবাড়ি গ্রাম। দলে দলে জয়োধ্বনি করতে করতে কচুবাড়িবাসীরা ‘ইমার ঠার’-এর আন্দোলনে যোগ দিতে লাগল। সুদেষ্ণাও ছিল কচুবাড়ি গ্রামের। সে ঘর থেকে বের হবার সময় মায়ের কাছে কিছু টাকার আবদার করেছিলো। কিন্তু দুঃখিনী মায়ের কাছে ছিল না কানাকড়িও।
সুদেষ্ণার সাথে ছিল তাঁর বান্ধবী প্রমোদিনী, বিলবাড়ি গ্রামের এক তরুণী। সুদেষ্ণা অবশেষে প্রমোদিনীর কাছেই দুটি টাকা ভিক্ষা চেয়ে নেয়। সকৌতুকে প্রমোদিনী তার বান্ধবীকে জিজ্ঞেস করে, “কিসের জন্য এ দুটো টাকা? কলকলি ঘাটের এ পথে তো কোনো দোকানপাটও নেই!” সুদেষ্ণা নীরব। প্রমোদিনী দুটো টাকা বেঁধে দেয় সুদেষ্ণার আঁচলে। মিষ্টি হাসিতে সুদেষ্ণা তখন বলেছিল, “এ দুটো টাকা খেয়াপারের জন্য” (মৃত্যুর পর খেয়া পারাপারের মাধ্যমে অন্য জগতে পদার্পণ করতে হয় বলে বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী মণিপুরীদের বিশ্বাস)।
প্রাণপ্রিয় বান্ধবী প্রমোদিনীর কাছে সুদেষ্ণার দ্বিধাহীন শেষ কণ্ঠবাণী,
“মোর রকতলো অইলেউ মি আজি ইমার ঠারহান আনতৌগাগো চেইস” (দেখিস, আমার রক্ত দিয়ে হলেও আজকে আমি আমার মাতৃভাষাকে কেড়ে আনবো)।
[শহীদ সুদেষ্ণা’র স্মরণে একটি গীতিকাহিনী হতে সংগৃহীত গল্প, কণ্ঠশিল্পী: বীনা সিনহা]

সুদেষ্ণা’র গল্প: ‘বুলু’ কাহিনীঃ
১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ ফেব্রুয়ারি। আসামের বরাক উপত্যকা, যার ঠিক নিচেই সুরমা উপত্যকা, সেখানে কচুবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এক শিশুকন্যা, নাম তার সুদেষ্ণা সিংহ। গ্রামবাসীরা আদর করে তার ডাকনাম দেয় ‘বুলু’।
যতদূর জানা যায় এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেন সুদেষ্ণা; পরিবারের সহায়-সম্বলহীন সামর্থ্যকেই চিরসঙ্গী করে নিয়ে তাঁর ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা। এভাবে কেটে যায় বত্রিশটি বছর। ১৯৯৬ সাল। একদিন আসামের ‘বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী’ অধ্যুষিত এলাকায় ডাক আসে ‘ইমার ঠার’ আন্দোলনের। বিষ্ণুপ্রিয়া ভাষায় ইমার ঠারের অর্থ ‘মায়ের ভাষা’। দলে দলে বিষ্ণুপ্রিয়াভাষী মানুষ জড়িয়ে পড়ে এ আন্দোলনে। নিজ ভাষার অস্তিত্ব রক্ষায় রেল অবরোধ কর্মসূচীতে অংশ নিতে অন্য সবার মতো সুদেষ্ণাও মার্চের (বাংলা চৈত্র মাস) এক কাঠফাটা দিনে বিদায় নেন মায়ের কাছ থেকে। কিন্তু কে জানতো, সেই বিদায়ের দিনটিই হবে সুদেষ্ণার চিরবিদায়ের দিন! গল্পের বাকিটা একটু পরেই বলা যাক, ঘুরে আসি ইতিহাস থেকে।

সুদেষ্ণা সিংহ নিজের মৃত্যুর মাধ্যমে একটি ভাষাকে তার মৃত্যুদশা থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। তাই পৃথিবীর ভাষার ইতিহাসে এবং বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী জাতির ইতিহাসে এ ১৬ই মার্চ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। বাংলাদেশের পূর্বে এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীরা কখনোই সুদেষ্ণা এবং তার আত্মত্যাগের কথা ভুলতে পারে না। আসাম সরকারের পাশাপাশি ত্রিপুরা সরকারও এ দিনটিকে ‘ভাষা দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ-ভারত উভয়প্রান্তের বিষ্ণুপুরী মণিপুরীভাষী মানুষ প্রতিবছর রক্তঝরা এ ১৬ মার্চকে স্ব-ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে ‘শহীদ সুদেষ্ণা দিবস’ হিসাবে পালন করে থাকে।

রাষ্ট্রের বন্দুকের গুলির সামনে দাঁড়িয়ে সুদেষ্ণা সিংহ প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছেন তাঁর মাতৃভাষার সম্মান, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষায় কথা বলার অধিকার। ১৬ মার্চ ক্যালেন্ডারে শুধুমাত্র একটা দিবস নয়, এটা বাংলাদেশেরও একটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জাতিগত অস্তিত্ব, ‘বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী’দের বেঁচে থাকা। ফেব্রুয়ারির ‘২১’, মে মাসের ‘১৯’ আর মার্চের ‘১৬’ সংখ্যা তিনটি পৃথক হলেও অন্তরে এ তিনটি সংখ্যার একই বোধ ক্রিয়াশীল, পুরোটা ইতিহাস জুড়েই মাতৃভাষার প্রতি অনুরাগ!

পরিশেষেঃ
২০১৯ সাল ছিল জাতিসংঘ ঘোষিত ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা বর্ষ’; এ উপলক্ষ্যকে সামনে রেখে পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীই স্ব-মাতৃভাষার লালন, পালন ও সংরক্ষণে কাজ করে এসেছে, আজ অবধি কাজ করছে। আসুন, সত্যিকার অর্থে মায়ের ভাষাটাকে ভালোবাসি, পাশাপাশি অন্যান্য জনগোষ্ঠীর ভাষাকে শ্রদ্ধা জানাই। আসুন, পরবর্তী প্রজন্মের কাছে বিভিন্ন ভাষার বিভিন্ন রঙের ছটা ছড়িয়ে যেন ভাষাবৈচিত্র্যের পরিচয় দিতে পারি, বাংলার পাশাপাশি অন্য ভাষার প্রতিও ভালবাসা জানাতে পারি। মাতৃভাষা অমর হোক, ভাষাশহীদরা বেঁচে থাকুক আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায়।

তথ্যসূত্রঃ https://roar.media/bangla/main/history/language-martyr-sudeshna/

CMB App Release on Playstore : Good News for Every One

CMB App Installation ✅ Done.
Such a Lovely Apps Little Bit Similar to Amar Ela Apps But Lot’s of Other Features Like PPV Bishnupriya Manipuri Movies and Web Series Serials are there that’s Make it Immense Stuff.
Thanks CMB Team ❤️
Best Wishes and Congratulations
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.cmb.app
Should Provide Track Download Options.
Comment Section reply mode need to be improve. Rest is Lovely ❤️ So Guys Let’s Download it from Playstore and Enjoy the Application.
Hiren Sinha 💕

CMB App Installation

Richika and Gunjan Selected for Dance Ke Deewane Season 3

A Very Good News to All
Our Little Angel Richika Sinha along With another Cutiepie Little Angel Gunjan Sinha Both Has been Selected for the Dance Ke Deewane Season 3.
Show Will Starts From 27th Feb
Congrats! It is an amazing piece of news and I wish you all the best for it.
Best Wishes to both the Participants.
Keep Support and Blessings Guys. Proud of Northeast. Regards from Your Elder Brother
Krïshñä Sïñhä 💕

Richika Sinha

ইমা সুদেষ্ণা সিনহার জরমদিন ইমারে শ্ৰদ্ধাঞ্জলি হমা কাতকরৌরি।

আজি পূণ‍্য চেলপী ইমা শহীদ কুমারী বীর বীরঙ্গনা নারী সুদেষ্ণা সিনহার জনমর দিনহান ১৫ ই ফেব্রুয়ারী। ইমার জরমদিনর আঠয়পা বানানুংশি বারো শ্ৰদ্ধাঞ্জলি হমা কাতকরৌরি। আমি হাব্বিয়ে নিঙসিং অয়া থায়ক ইমার বলিদান না পাহুরিক। ইমার জিপুত দশর মালেমে ইঙাল ঙালকা আরাকৌ। জয় ইমা বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী, জয় ইমা সুদেষ্ণা।

ইমা সুদেষ্ণা সিনহারে শ্ৰদ্ধাঞ্জলি ।

Hrishi’s – Houpone

Releasing on 13th February On the Eve of Valentine’s Day Special. Music 🎵 : Sumeet Gupta (Raja). Lyrics : Surjit Sinha (Ashu). Mix/Master : Kaustav Saikia. Guitar 🎸 : Ricky Dutta. Singer/Composer/Tune : Hrishi Sinha. Special Thanks to Pallabi Sinha Dubbed at Orange 🍊 Studio. Guitar 🎸 Dubbed in Audioholic (Silchar).

Hrishi’s – Houpone

Bishnupriya Manipuri Pride Our Little Princess : Richika Sinha

Introducing Dancer Richika Sinha.
From – Guwahati
Student of – Dilip dance academy
Age- 11 years,
Student of – IVth standard
Father’s Name- Raju Sinha
Mother’s Name- Laxmi Sinha

Richika’s Biography :-

In Shemford Futuristic School, Guwahati.
She has been pursuing dance training for 4 years in the Acro-contemporary form under Guru Dilip Mahato in DDA Headoffice: Sixmile VIP Road, Chachal. Earlier She was the contestant in India’s No.1 dance reality show DANCE INDIA DANCE BATTLE OF CHAMPIONS Zee TV She is in the team EAST KE TIGERS. Now going to perform in Dance Deewane season-3, on Color TV.
Best Wishes From 💕Krïshñä Sïñhä 💕

Richika’s facebook page link,
https://www.facebook.com/Richika-Sinha-2116375855155430/

Richika’s youtube channel link,
https://youtube.com/channel/UC3bhwrRa74jT3xd47hf_4yg

Richika Sinha